আমান (দোয়া) ফিলিস্তিনিদের জন্য
“ইয়া আল্লাহ,
যে জমিন তুমি বরকতময় করেছো, সে ফিলিস্তিন আজ আগুনে পোড়া।
তোমার নাম নিয়ে দাঁড়ানো সেই নিষ্পাপ শিশুদের, মায়েদের, যুবকদের
তুমি হেফাজত করো,
তাদের রক্ত যেন ব্যর্থ না হয়,
তাদের কান্না যেন আকাশ ছুঁয়ে তোমার আরশ কাঁপিয়ে দেয়।
ইয়া আল্লাহ,
যারা যালেম, তাদের শাস্তি তুমি নিজ হাতে দাও,
তাদের চক্রান্ত তুমি তাদের দিকেই ফিরিয়ে দাও।
তুমি আমাদের অন্তরে জেহাদের আগুন জ্বেলে দাও—
ভয়ভীতি আর অলসতা দূর করে, সত্যের পথে দৃঢ় করে দাও।
ইয়া রাহমান, ইয়া রাহিম,
তুমি মুসলিম উম্মাহকে এক
স্থিতি বনাম জেহাদ: মন-মানসিকতার দ্বন্দ্ব
মানুষের প্রকৃতি এমনই—সে যা কিছু পেয়েছে, তা ধরে রাখতে চায়। নিরাপত্তা, স্বস্তি আর স্থিতির জন্য মানুষ একধরনের মানসিকতা গড়ে তোলে, যা পরিবর্তনের ভয় থেকে জন্ম নেয়। এই মানসিকতা মানুষকে আত্মরক্ষার শিক্ষা দেয়, কিন্তু অনেক সময় তা প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলে। অথচ সত্যিকারের জেহাদ মানে কেবল যুদ্ধ নয়—এটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে অন্তরের প্রস্তুতি, চিন্তার বিপ্লব, এবং সাহসের প্রকাশ। তাই এই যুগে শুধু স্থিতি ধরে রাখার মানসিকতা নয়, বরং ন্যায়
ইসরাইলের প্রভাব শুধু কোনো একটি পণ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের ছায়া পড়েছে আমাদের নিত্য ব্যবহৃত বহু প্রযুক্তির ওপর। ফলে কেউ চাইলেও একেবারে বয়কট করা প্রায় অসম্ভব। একদিকে মানবাধিকারের জন্য প্রতিবাদ, অন্যদিকে বাস্তব জীবনের নির্ভরতা—এই দ্বন্দ্বে পড়ে সাধারণ মানুষ পড়ে একরকম জালে।
এখানে বিষয়টা ঠিক এমন নয় যে আপনি প্রতিবাদ করতে চান না, বরং প্রতিবাদ করেও যেন আপনি নিজের জালেই আটকে পড়েন। কারণ এই এক দেশের বিরোধিতা করতেই যেন হাজার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। একের বিরোধিতা করেও যেন টিকিয়ে থাকা মুশকিল হয়ে পড়ে—
Md Nurjaman Mia
删除评论
您确定要删除此评论吗?
Nayon Mondol
删除评论
您确定要删除此评论吗?