৪পর্ব, এভাবে ঝগড়া করে দিন যাচ্ছে, হঠাৎ একদিন জানতে পারলাম আমি ২ য় বার গর্ভবতী, আমার মাথার উপর আকাশ ভেঙে পরে,আমার জীবন তো এমনি শেষ আবার একটা ঝামেলা, সবসময় চিন্তা থাকতাম, দিন দিন অসুস্থ হয়ে পরছি দেখে জামাই আমাকে সাহস দেয় আমার কাছে কিছু টাকা ছিলো ঐটা দিয়ে ডাক্তার দেখায়, আমি ভেবেছিলাম হয়তো ভালো হয়ে গেছে, কিন্তু যখন টাকা গুলো শেষ হয় তখন আমায় বলে আমাকে,৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে দিতে আমি কোথায় থেকে দিতো, আমি না করে দেই, পরে বলে আমার জিনিস বিক্রি করে দিতে, আমি না করে দেই, তারপর থেকে আমার জীবনে নেমে আসে কাল বৈশাখী ঝড়, এখন আমার মাথা কাজ করে না আমি কি করবো কোথায় যাবো, আমার শরীর অনেক দূর্বল কিন্তু আমার জামাই আমার পাশে নাই,
পরা
৩, আমাদের কে আলাদা করে দেয়, এর পর অনেক অশান্তি করে, আলাদা করে দেওয়ার মূল কারন আমার বাবার বাড়ি থেকে টাকা পয়সা আনার জন্য, কারন ওদের ছেলেকে চাকরি করতে দিবে না,আমাকে কামাই খাওয়াতে দিবেনা,এভাবে কষ্ট করে ১বছর কাটে একদিন অকারণে ঝগড়া হয়, তারপর আমি বাড়িতে কল দেই, চলে যাবো, সারাজীবন জন্য এভাবে কতো দিন যাবে একটা সন্তান কথা চিন্তা করে সংসার অশান্তি হওয়ার শর্তে ও যাই নাই, কিন্তু আর পারছি না, আমি আমার সন্তান নিয়ে চলে যাবো, কিন্তু আমার শ্বশুর আমাকে আটকায়, তারপর মন মানছে না, তারপর সারাক্ষণ মনে শুধু চলে যাওয়া চিন্তা থাকতো , কিন্তু কোথায় যাবো বিয়ে পর বাবা বাড়ি বাবা বাড়ি থেকে না,এভাবে ১ মাস কেটে যায়, সংসার ভাঙ্গতে চেয়ে ও ভাঙ্গতে পারি
পর্ব -২, - নিজের জন্য একটা ভালো কাপড় কিনতাম না, ও যা দিতো তাই পরতাম, মাটির ব্যাংক টাকা জমাতাম আমি, আর ঝগড়া হলেই টাকা নিয়ে সব ওর মাকে দিয়ে দিতো, খুব কষ্ট হতো, তার পরেও আবার জমাতাম, এভাবে ৩ বছরে ৩ লাখ টাকা হয়েছে আর প্রতি বার টাকা ওর মার হাতে যেতো, তারপর আর টাকা জমাই নাই, কিন্তু সব সময় ওর মার সাথে মিলে আমাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলতো,আমাকে রাখতে বে না বলতো, এভাবে চার বছর কাটে, কখনো ঝগড়া হলে আমি আমার বাবা মা কে জানাতাম না ওই জানাইতো,বলতো আমাকে নিয়া যাইতে আইসা, আমি ওদের আসতে দিতাম না, একটা পর্যায়ের টাকা, ফার্নিচার চাইলে তাও দিয়ে যায়,তারপরে আমার সাথে ঝগড়া হতো,ওর বাবা মার একমাএ ছেলে ও, একটা সময় চাকরি চলে যাওয়া,
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে আজকে আমার জীবনের গল্প বলবো, আমি বিবাহিত মেয়ে, আমার ১ টি ছেলে আছে, কিন্তু আমার সংসারে কোনো সুখ শান্তি নাই, আমার বিয়ের ৪ বছর হয়ে গেছে,বাচ্চা বয়স ৩ বছর, বিয়ের কয়েক মাস পর বাচ্চা হয়ে যায়, ভেবেছিলাম বাচ্চার কারনে হয় তো আমার জামাই আমার দিকে খেয়াল দিবে, জীবনের শুরু থেকে অভাব অনটনে আছি, সব সময় চাইতাম আমার জামাই কিছু একটা কাজ করুক,কিন্তু ও সবসময় ওর বাবা মার কথা শুনতো, আমি ওর স্বপ্ন পূর্ণ করায় নেশায় নিজের দিকে কখনো খেয়া করিনি, ওর চাকরি যা বেতন ছিল সেটা সম্পূর্ণ ওর মাকে দিতো, সংসার জন্য, আর ওভারটাইম টাকা ওর কাছে রাখতো, কিন্তু আমি ওর কাছ থেকে কিছু কিছু টাকা জোর করে একটা মাটি ব্যাংক রাখতাম, পর্ব-১
KothaBook.com
Visit : https://kothabook.com/
Удалить комментарий
Вы уверены, что хотите удалить этот комментарий?